রবিবার, ২৮ Jun ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

ভারতে বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা সুনির্দিষ্ট করে জানাবে না যুক্তরাষ্ট্র

সম্প্রতি দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের পঞ্চম টু প্লাস টু মিনিস্টারিয়াল ডায়ালগ। এ সংলাপে আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক টানাপড়েন ও উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দুই দেশের অংশীদারত্ব। গুরুত্ব পেয়েছে ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশল বাস্তবায়নে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো।

বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন আলোচ্য সূচিতে ছিল বলে অনেকগুলো সূত্র জানিয়েছে। তবে এ নিয়ে আলাদা করে কোনো মন্তব্য দেয়নি ওয়াশিংটন। আপাতত তেমন কোনো মন্তব্য আসবেও না। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার এ কথায় সেই সুর পাওয়া গেল।

গতকাল সোমবার (১৩ নভেম্বর) নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ওয়াশিংটনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মিলার। এ সময় বাংলাদেশের নির্বাচন ও সদ্য সপ্তাহ ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠকও প্রশ্ন আকারে উত্থাপিত হয়।

শুরুতেই এক প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন নিয়ে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন মার্কিন এ মুখপাত্র। তিনি বলেন, আমি অনেকবার যা বলেছি তা আবারও বলতে চাই, আমরা বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে সমর্থন করি। আমরা মনে করি জনগণ দ্বারা ভবিষ্যৎ সরকার নির্ধারিত হওয়া উচিত।

এক প্রশ্নে বলা হয়, ডোনাল্ড লু ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলের মধ্যে সংলাপের আহ্বান জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন। কিন্তু বিরোধী দলের অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতা কারাগারে। এ অবস্থায় সংলাপ কীভাবে হবে? বিরোধীদের দমন করা হচ্ছে ও পোশাক শ্রমিক নিহত হয়েছে, কমপক্ষে পাঁচজন- এমন অবস্থার মধ্যে কীভাবে সংলাপ হতে পারে?

জবাবে বরাবরের মতো সাবধানী উত্তর দেন মিলার। রাজনৈতিক বিষেয়ে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সাংবাদিকদের স্বাগত জানান। তবে এ বিষয়ে মন্তব্য করা থেকে তিনি বিরত থাকবেন। সঙ্গে বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেয় না। আমরা এক রাজনৈতিক দলকে অন্য দলের চেয়ে বেশি সমর্থন করি না। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে সমর্থন করি আমরা।

এরপর দিল্লিতে অনুষ্ঠিত টু প্লাস টু বৈঠক নিয়ে ধারণা চান এক সাংবাদিক। কারণ ভারতীয় ও বাংলাদেশী সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে একটি সফল বৈঠক হয়েছে। নির্বাচন প্রসঙ্গে ভারত ও চীনের বিবৃতিতে বাংলাদেশের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বলা হয়েছে। এ বিষয়ে ‘আমাদের কোনো ধারণা দিতে পারেন?’

জবাবে ম্যাথিউ মিলার জানান, সুনির্দিষ্টভাবে এ বৈঠক সম্পর্কে তিনি কোনো কথা বলবেন না। কেন না, পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিংকেন ভারতে থাকাকালে যা বলেছেন তাই যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি।

টু প্লাস টু মিনিস্টারিয়াল ডায়ালগে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন। ভারতের পক্ষে অংশ নেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com